৪ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীকে বহিস্কার করেছে জবি প্রশাসন


Published: 2017-11-14 18:11:08 BdST, Updated: 2017-11-21 21:24:09 BdST

 


জবি লাইভ: চাঁদাবাজি যেন থামছেই না। এই চাঁদাবাজির অভিযোগ খোদ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে। ছাত্রলেগের বিরুদ্ধে। এরই ধারাবাহিকতায় চাঁদাবাজি প্রাথমিক ভবে প্রমানিত হওয়ায় ছাত্রলীগের ৪ নেতা-কর্মীকে বহিস্কার করা হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) টিএসসিতে অবৈধভাবে স্থাপিত দোকান থেকে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে মারধোরের ঘটনা ঘটে। এ কারণে ছাত্রলীগের ৪ নেতা-কর্মীর বিরেদ্ধে এই অ্যাকশন অর্থাৎ সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।

জবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলাম বলেন, ছাত্রলীগে এসে যারা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করবে তাদের ছাত্রলীগে থাকার কোনো অধিকার নাই।

উল্লেখ্য যে, গত কয়েকদিন আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের ফুটপাত তথা টিএসসিতে মহিউদ্দীন নামে এক ব্যবসায়ীর নিকট চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে । এতে ৫ জন গুরুতর আহত হন।

রেজিস্টার স্বাক্ষরিত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে বহিষ্কারাদেশে বলা হয়, সংশ্লিস্টরা টিএসসিতে মহিউদ্দীন নামের এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবী করে, তাকে মারধোরও করা হয়।

পরবর্তীতে শিক্ষক লাউঞ্জের দরজা ক্ষতিগ্রস্ত ও ভাংচুর করে। এ ঘটনায় দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে পাঁচ শিক্ষার্থী আহত হয়। পরে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসব ঘটনা ঘটানোর কারণে চার শিক্ষার্থীকে জবি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

বহিষ্কৃতরা হলো, ফিন্যান্স বিভাগের সুজন দাস অর্ক (৯ম ব্যাচ) ও এস কে মিরাজ (১০ ব্যাচ), রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের হোসনে মোবারক রিশাদ (১০ ব্যাচ), সমাজবিজ্ঞান বিভাগের রাজীব বিশ্বাস (১১ তম ব্যাচ)।

উল্লেখ্য যে- সুজন দাস অর্ক, হোসনে মোবারক রিশাদ, রাজীব বিশ্বাস উক্ত ঘটনার জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ থেকেও সাময়িক বহিস্কৃত। জানাগেছে তাদের বিরুদ্ধে আরও নানান ঘটনা রয়েছে। তারা চাঁদাবাজিসহ নানান ধরণের অপকর্ম করতো। ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে দাবড়ে বেড়াতো ক্যাম্পাসে।

কেউ ভয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলতো না। নানান ভাবে হুমকি, ধমকি দিয়ে বেড়াতো।

 

ঢাকা, ১৪ নভেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//বিএসসি

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।