ঢাবি: ইতি ঘটলো আমার ভাষার চলচ্চিত্র উৎসবের


Published: 2020-02-13 21:54:18 BdST, Updated: 2020-02-20 15:07:37 BdST

ঢাবি লাইভঃ চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, পুরস্কার প্রদান ও আলোচনার মধ্যে দিয়ে শেষ হলো ছয় দিনব্যাপী ‘আমার ভাষার চলচ্চিত্র’ উৎসব। বৃহস্পতিবার উৎসবের শেষ প্রদর্শনীতে দেখানো হয়েছে নিয়ামুল হক মুক্তা পরিচালিত ‘কাঠবিড়ালি’ শিরোনামের ছবি।

উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর মো. আখতারুজ্জামান, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, চলচ্চিত্র নির্মাতা সৈয়দ সালাহউদ্দিন জাকি, পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেতা- অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র শিল্পীরা।

৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে দুই বাংলার সমসাময়িক ও ধ্রুপদী ১৯টি র্পূণদর্ঘ্যৈ এবং ৩টি স্বল্পদর্ঘ্যৈ চলচ্চিত্র। উৎসবের ১৯তম এ আসরে ‘সত্তা’ চলচ্চিত্রের পরিচালক হাসবিুর রেজা কল্লোল (১১ ফেব্রুয়ারি), ওপার বাংলার প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক অঞ্জন দত্ত (১২ ফেব্রুয়ারি), ‘ন ডরাই’, ‘ইতি তোমারই ঢাকা’, ‘কাঠবিড়ালী’ চলচ্চিত্রের কলাকুশলীরা উপস্থিত ছিলেন।

অধিকাংশ চলচ্চিত্রে হাউজফুল ছিল। ন ডরাই চলচ্চিত্রটি দর্শকদের অনুরোধে দ্বিতীয়বার প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে হয়েছে। প্রতিবারের মতো এবারও উৎসবের সমাপনী দিনে উপমহাদেশের প্রথম চলচ্চিত্রকার হীরালাল সেন স্মরণে ‘হীরালাল সেন পদক’ প্রদান করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. আখতারুজ্জামান আমার ভাষার চলচ্চিত্র উৎসবের বিজয়ী তিনটি চলচ্চিত্রের নাম ঘোষণা করেন। পুরস্কার প্রাপ্ত তিনটি চলচ্চিত্র হলো ফাগুন হাওয়া, আলফা ও ইতি তোমারই ঢাকা।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ বলেন,বাংলাদেশে চলচ্চিত্রের খরা কেটে গেছে। বর্তমানে অনেক ভাল মানের চলচ্চিত্র নির্মিত হচ্ছে। আশা করি, দু'য়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ক্যানভাসে পরিবর্তন ঘটবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের লক্ষ জাতির পিতার হাত ধরে যে চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির যাত্রা সেটি বিশ্বমানের চলচ্চিত্র নির্মানের মাধ্যমে বিশ্ব বাজার প্রবেশ করবে।

উল্লেখ্য, ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনকে স্মরণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) আয়োজন করা হয় আমার ভাষার চলচ্চিত্র উৎসব। আয়োজনটির পেছনে পুরো শ্রমটাই দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ। ২০০২ সালে প্রথম আয়োজনেই সাধারণ ছাত্রদের কাছ থেকে ব্যপক সাড়া পায় সংগঠনটি। এরপর আর একবারের জন্য তাদেরকে থামতে হয়নি।

শুরু থেকে উৎসবটির নাম ছিলো ‘চলচ্চিত্রে বাংলার মুখ’। ভাষা আন্দোলনের পঞ্চাশ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০০২ সালে শুরুর উৎসবে ‘ভাষা আন্দোলনের ৫০ বছর’ শিরোনামটিও যুক্ত ছিলো। পরবর্তীতে ২০০৭ সাল থেকে উৎসবটির নাম পাল্টে রাখা হয় ‘আমার ভাষার চলচ্চিত্র উৎসব’।

ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।