রুম্পার মৃত্যু: কঠোর আন্দোলনের হুমকি শিক্ষার্থীদের


Published: 2019-12-08 14:15:14 BdST, Updated: 2020-01-26 20:56:14 BdST

লাইভ প্রতিবেদক: রুম্পার মৃত্যুর তদন্ত প্রতিবেদন আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এসময়ের মধ্যে প্রতিবেদন প্রকাশ না করা হলে কঠোর আন্দোলন শুরু করবেন বলে হুমকি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার ‘হত্যার’ বিচারের দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। রবিবার দুপুর ১২টায় ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা সমাবেত হয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন। অবস্থান কর্মসূচি থেকে বিচার দাবিতে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীর স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস।

আন্দোলনকারী ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আল হাসান সুমন বলেন, ‘রুম্পার মৃত্যুর তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ ও এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিচারের দাবিতে গত তিনদিন ধরে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের সামনে ও ক্যাম্পাসের ভেতরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। অথচ এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে রুম্পার মৃত্যুর বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘রুম্পার পরিবার জানতে চায় কীভাবে সে মারা গেছে। আমাদের সহপাঠীর কীভাবে মৃত্যু হয়েছে তা আমরা জানতে চাই। এটি আত্মহত্যা না কি খুন-এ বিষয়টি দেশবাসী জানতে চায়। গত তিনদিন পার হয়ে গেলেও সেই রহস্য এখনও উদঘাটন করা হয়নি।’

এসময় আন্দোলনকারী মুখপত্র এ শিক্ষার্থী বলেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রুম্পার মৃত্যুর তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না করা হলে আমরা কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব। এই সময়ের মধ্যে আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ, গত বুধবার রাতে সিদ্ধেশ্বরী এলাকার রাস্তা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন রাতে স্বজনেরা রমনা থানায় লাশের ছবি দেখে শারমিনের পরিচয় শনাক্ত করেন। তিনি স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের স্নাতকের ছাত্রী ছিলেন। তার বাবা রোকনউদ্দিন হবিগঞ্জের একটি পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক।


ঢাকা, ০৮ ডিসেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।