আবরার হত্যা, পাঁচদিনের রিমান্ডে মিজান


Published: 2019-10-23 16:02:08 BdST, Updated: 2019-11-18 14:20:28 BdST

লাইভ প্রতিবেদকঃ বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতারকৃত তার রুমমেট মিজানুর রহমান ওরফে মিজানের পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার কারাগার থেকে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এই সময় আবরার হত্যার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য মিজানকে ১০ দিনের রিমান্ডের জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান আবেদন করেন। শুনানির শেষে পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লাহ।

পূর্বে ১০ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টায় বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে ডিবি পুলিশ মিজানকে আটক করে। মিজান ওয়াটার রিসোর্স অ্যান্ড প্ল্যানিং বিভাগের শিক্ষার্থী।

পরে ১১ অক্টোবর পুলিশ মিজানকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এছাড়া প্রয়োজনে মিজানের রিমান্ড আবেদন করা হবে বলে আদালতকে জানান তদন্তকারী কর্মকর্তা।

প্রসঙ্গত, ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেয়ার জের ধরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে রোববার (৬ অক্টোবর) রাতে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দুইতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ লাশের ময়নাতদন্ত করেন। তিনি বলেন, ‘ছেলেটিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’

নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। আবরার হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিসহ ১০ দফা দাবিতে আন্দোলনে উত্তাল রয়েছে বুয়েট ক্যাম্পাস।

ঢাকা, ২৩ ডিসেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।