"ঢাবিতে ফলাফল প্রকাশে ডিজিটালাইজেশন জরুরি"


Published: 2019-08-06 18:41:42 BdST, Updated: 2019-08-25 20:14:11 BdST

ঢাবি লাইভ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্স ফলাফল প্রকাশ ও পাঠের বিষয়বস্তু ডিজিটালাইজেশন ও সংস্কার বিষয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও ডাকসুর কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া বিষয়ক সম্পাদক লিপি আক্তার এবং একই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ছাত্রদল কর্মী কানেতা ইয়া লাম-লাম সম্মিলিতভাবে গোলটেবিল বৈঠক করেছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে ডাকসু মিলনায়তনে ডেমোক্রেসি ইন্টারনইন্টারন্যাশনাল এ বৈঠকের আয়োজন করে। বৈঠকে বক্তারা বলেন, আমরা যদি সকল মতপার্থক্য ও ভেদাভেদ ভুলে সকলে একসাথে কাজ করতে পারি এবং শিক্ষকবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি উদ্যোগ গ্রহণ করেন তাহলে আশা করি দ্রুত ফলাফল ও পাঠের বিষয়বস্তু ডিজিটালাইজেশন সম্ভব হবে ও শিক্ষার্থীরা তাদের প্রাণের দাবীর বাস্তবায়ন দেখতে পাবে।

সেই সাথে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় সকল সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে উঠে আসবে। বৈঠকে ডাকসু'র এজিএস সাদ্দাম হোসেন বলেন, ডাকসু গণতন্ত্র চর্চার সুন্দর প্লাটফর্ম। আজকের এই বৈঠক গণতন্ত্রের স্বার্থে ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আমাদের সকলের মতামতঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিজিটালাইজড করতে অনেক ভূমিকা রাখবে।


বৈঠকে লিপি আক্তার বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি এই ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়ার দ্রুত বাস্তবায়ন। এর মাধ্যমে তারা দেশ বিনির্মানের পাশাপাশি বিশ্বায়নের পথে এগিয়ে যেতে পারবে ও উন্নত বিশ্বের শিক্ষাব্যবস্থার সকল সুযোগ সুবিধা বিশ্ববিদ্যালয়েই পাবে। পাশাপাশি তাদের গবেষণার ক্ষেত্র আরো উন্মোচিত হবে।

বৈঠকে কানেতা ইয়া লাম-লাম বলেন, পরীক্ষার ফলাফল প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত বিষয়। আধুনিক শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের মতে প্রত্যেক শিক্ষার্থী "মাল্টিপল ইন্টেলিজেন্স" এর প্রয়োগের মাধ্যমে শিক্ষা অর্জন করবে অর্থাৎ তার উৎসাহ ও প্রতিভা অনুযায়ী জ্ঞান অর্জন করবে। কিন্তু সনাতন পদ্ধতিতে নোটিসবোর্ডে ফলাফল প্রকাশে শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য অনিরাপদ থাকে। এতে তার মধ্যে হীনমন্যতা তৈরি হয়। আজকের দিনে আমাদের প্রত্যেকেরই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে একটি একাউন্ট থাকা উচিত।

এসময় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবগঠিত আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. আসিফ হোসেন খান, শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের সহকারী অধ্যাপক সাাব্বির আহমেদ চৌধুরী, ডাকসুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আরিফ বিন আলী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী।

উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ও অংশগ্রহণকারীরা ডিজিটালাইজেশন বাস্তবায়িত না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা এবং সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ যেসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন তা তুলে ধরেন এবং এর দ্রুত বাস্তবায়নের পক্ষে তাঁদের মূল্যবান মতামত প্রকাশ করেন।


শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের জবাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. আসিফ হোসেন খান বলেন, আইসিটি সেল ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে গঠিত হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে বিশাল ডাটাবেজ হুটহাট করে শেষ করা যায়না। বিষয়টি সময় সাপেক্ষ। আমরা প্রথমে কোর্সের ডাটাবেইজ তৈরি করছি।

উল্লেখ্য
বি. এম. লিপি আক্তার এবং কানেতা ইয়া লাম-লাম সম্প্রতি ডাকসু নির্বাচনে একই পদে দুটো বিপরীত প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তারা বর্তমানে একই সাথে ইউএসএআইডি ও ইউকেএইড -এর যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের Strengthening Political Landscape (SPL) প্রকল্পের আওতায় Young Leaders Fellowship Program কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছেন।

ঢাকা, ০৬ আগস্ট (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//আরএইচ

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।