শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবসে বশেফমুবিপ্রবি ভিসির আবেদন


Published: 2019-06-11 20:29:08 BdST, Updated: 2019-06-24 15:43:21 BdST

বশেফমুবিপ্রবি লাইভঃ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলেক্ষ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেফমুবিপ্রবি) ভিসি প্রফেসর ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ এক বিবৃতি প্রদান করেছেন।

মঙ্গলবার এই বিবৃতি প্রদান করেন। ভিসি বলেন,” দিনটি ছিল ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই। ভোরের ঠিক আগে চারদিক থেকে বঙ্গবন্ধুর বড় জামাতা, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম. এ. ওয়াজেদ মিয়ার বাড়ি ‘সুধাসদন’ কে ঘিরে রেখেছে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

বাড়ির নামকরণও করা হয়েছে ড. ওয়াজেদ মিয়ার নামে, ‘সুধাসদন’। ড. ওয়াজেদ মিয়ার ঘনিষ্ঠজন ও পরিবারের সদস্যদের নিকট ‘সুধামিয়া’ নামে পরিচিত।

একইভাবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরের ঠিক আগে ধানমন্ডির বত্রিশ নম্বরের বঙ্গবন্ধু ভবনটি ঘিরে ফেলেছিল মুশতাক-জিয়ার মদদপুষ্ট অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরত কতিপয় বিপথগামী সেনাসদস্য, যারা ভোর হবার আগেই সেদিন বঙ্গবন্ধু ভবনে চালিয়েছিল নারকীয় হত্যাযজ্ঞ।

শহীদ হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু সপরিবারে। সৌভাগ্যক্রমে বিদেশে অবস্থান করার কারণে বেঁচে গিয়েছিলেন তাঁর দুই কন্যা, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সুধাসদন ঘিরে ফেলার কারণ হলো আওয়ামী লীগ সভানেত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা।

তাকে বন্দী করে বাঙালীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির চলমান আন্দোলনকে থামিয়ে দেয়া, রুদ্ধ করা। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার নবতর যাত্রাকে বাধাগ্রস্থ করা। বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করা, যে কারণে বঙ্গবন্ধুকেও হত্যা করা হয়েছে।

অবশেষে ২০১৭ সালের ১১ জুন এদেশের আপামর জনগনের ভালবাসা এবং নেতাকর্মীদের চাপের মুখে তৎকালিন সেনা সমথিত সরকার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-কে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।”

প্রফেসর ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন,” প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু জেল থেকে মুক্তই হননি, তিনি গত এগার বছর ধরে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার জয়যাত্রায় সগৌরবে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন।

সরকার শুধু তাঁকে মুক্তিই দেয়নি, ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর দেশে একটি অবাধ নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়েছে। দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত ও সত্যের জয় হয়েছে। গত এগার বছর ধরে তিনি অত্যন্ত দক্ষতা, সততা, ধৈর্য ও বিচক্ষণতার সঙ্গে দেশ পরিচালনা করে বাংলাদেশকে একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতিতে পরিণত করেছেন, দেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারায় ফিরিয়ে এনেছেন।

আমরা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পদার্পণ করছি। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে মজবুত ভিতের ওপর দাঁড় করানোর চেষ্টা অব্যাহত আছে। আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের জন্যও ঈর্ষণীয়।

আমাদের অর্থনৈতিক ভিত এখন এতই মজবুত যে, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতো বিশাল স্থাপনা নির্মাণ করতে পারি। আমাদের সর্বশেষ অর্জন হলো মহাকাশে ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট।’ এক কথায় বলা যায়, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।”

ঢাকা, ১১ জুন (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//বিএসসি

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।