বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌনতা, চাকরিতে রেখেই আজীবন অব্যাহতি!


Published: 2019-04-20 18:23:00 BdST, Updated: 2019-09-16 06:51:14 BdST

বশেমুরবিপ্রবি লাইভ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) কম্পিউটার সাইন্সের সেই শিক্ষক আক্কাস আলীর বিরুদ্ধে দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির প্রমাণ মিলেছে। তবে ওই শিক্ষক চাকরিতে বহাল আছেন। তবে তিনি কোনদিন ওই বিভাগের চেয়ারম্যান হতে পারবেন না। ওই পদে তাকে আজীবনের জন্য অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

এছাড়া আগামী ৪ বছর তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিকসহ সকল কাজ থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ৪ সদস্যর তদন্ত কমিটি সুপারিশ করেছে। জুলাই মাসের প্রথম থেকে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে বলেও জানানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার প্রফেসর ড. মো. নুর উদ্দিন আহম্মেদ এ তথ্য নিশ্চিত করে তিনি জানান, তদন্ত কমিটির সুপারিশ মোতাবেক ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এবিষয়ে আপিলের কোন সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. আশিকুজ্জামান ভুইয়া সাংবাদিকদের জানান, চলতি মাসের প্রথম দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান মো. আক্কাস আলীর বিরদ্ধে ফেসবুক ও কিছু পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ পাওয়া যৌন-হয়রানির সংবাদ ও সনদপ্রাপ্ত বিদায়ী এক ছাত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ প্রকাশ পায়। প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আক্কাস আলীর অপসারণের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

তদন্ত কমিটির সভাপতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন আব্দুর রহিম গত ৯ এপ্রিল বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের বিদায়ী ওই ২ ছাত্রীকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ব্যাপক তদন্ত ও বিশ্লেষণ শেষে শিক্ষক আক্কাস বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

 

ঢাকা, ২০ এপ্রিল (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।