ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধায় প্রথম, দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ ছাত্রও ভুয়া!


Published: 2019-01-13 02:28:08 BdST, Updated: 2019-06-18 17:33:57 BdST

টাঙ্গাইল লাইভ : মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে অনার্সে ভর্তি হওয়া ৪জন ভুয়া ছাত্র শনাক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করা ছাত্রও ভুয়া বলে শনাক্ত করা হয়েছে। বাকি তিনজনের মধ্যে একজনের মেধা তালিকা দ্বিতীয় অপরজনের ষষ্ঠ। এছাড়া আরেকজনের মেধা তালিকা ১৪১। তাদের সবার বিরুদ্ধেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

শনিবার (১২ জানুয়ারি) ভর্তি পরীক্ষায় সাক্ষাৎকার দিতে এসে ধরা পড়েন ওই শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে প্রক্সির মাধ্যমে পরীক্ষা দিয়ে জালিয়াতির সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে দুইজনকে এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। অন্য দুই শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করা হয়। ছবি, স্বাক্ষর ও পরীক্ষায় বাংলা-ইংরেজিতে লেখা বাক্যে হাতের লেখা মিল না থাকায় ভর্তি বাতিল হওয়া ২ শিক্ষার্থী হলেন, এ ইউনিটে ৬ষ্ঠ স্থান অর্জনকারী গাজীপুর রাজেন্দ্রপুর আরপি গেইটের গাজী মোহাম্মদ আলীর ছেলে গাজী মোহাম্মদ বনী ইয়ামিন শাওন এবং বি ইউনিটে ১৪১ তম স্থান অর্জনকারী টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার দিঘুলিয়া কালিপুর গ্রামের নিলমনি কর্মকারের ছেলে জয় কর্মকার।

পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইন, ১৯৮০ এর ৩ ধারায় অপরাধ প্রমানিত হওয়ায় ৩ ধারা অনুসারে দুই জনকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বগুড়া জেলার সদর উপজেলার নরুইল উত্তর পাড়া মোঃ জাহেদুর রহমানের ছেলে মোঃ শাহরিয়ার পারভেজ। তিনি ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির মাধ্যমে ‘এ’ ইউনিটে প্রথম স্থান অধিকার করেন। অপরজন বগুড়া জেলার সদর উপজেলার চকলোকমান গ্রামের এ কে এম বদিউজ্জামানের ছেলে রিয়াসত আজিম শাদাব। তিনিও প্রক্সির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির মাধ্যমে ‘সি’ ইউনিটে ২য় স্থান অধিকার করেন। আদালত পরিচালনা করেন টাঙ্গাইল জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আব্দুল করিম।

ঢাকা, ১৩ জানুয়ারি (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//সিএস

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।