জবির দুই ছাত্রলীগ কর্মীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে বহিষ্কার


Published: 2018-10-09 02:00:39 BdST, Updated: 2018-10-19 05:02:22 BdST

জবি লাইভ: বেশ কয়েকটি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী যৌন হয়রানির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। তারা ইতোমধ্যে বহিস্কারও হয়েছেন। তিরস্কার করা হয়েছে খোদ ছাত্রলীগ থেকে। এবার ভর্তি পরীক্ষার্থী এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে দুই ছাত্রলীগ কর্মীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) প্রশাসন।

বহিষ্কৃতরা হলেন, মার্কেটিং বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র জয়নুল আবেদীন এবং একই বিভাগের মোবারক ঠাকুর প্রিন্স। তারা দুজনই ছাত্রলীগের কর্মী এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলামের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত। বিভিন্ন মিছিল ও মিটিংয়ে এরা থাকে অগ্রভাগে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানাগেছে গত শনিবার মানবিক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শেষে ওই দুই ছাত্র ভর্তিচ্ছু নারী শিক্ষার্থীকে অশালীন কথাবার্তা ও অঙ্গভঙ্গী করে বলে প্রক্টর অফিসে লিখিত অভিযোগ দেয় ওই শিক্ষার্থীর বড় বোন। এরপর জয়নুল ও প্রিন্সকে ধরে পুলিশে তুলে দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কিন্তু কোনো মামলা না হওয়ার কারণ দেখিয়ে পুলিশ তাদের ছেড়ে দেয়। এর পর তারা থানা থেকে বেরিয়ে এসে দাবড়ে বেড়াচ্ছিল ক্যাম্পাসে।

বিষয়টি নজরে আসে প্রশাসনের। পরে ওই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সোমবার বেলা ১২টার দিকে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ব্যানারে শাস্তির দাবিতে ক্যাম্পাসের মূল ফটকের সামনে মানববন্ধন হয়। এতে তাদের শাস্তি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। এরপর প্রশাসন তাদেরকে বিকেলে বহিষ্কার করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান ক্যাম্পাসলাইভ জানান তাদের সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল ক্যাম্পাসলাইভ জানান, আমাদের প্রাথমিক তদন্ত শেষে ভিসি স্যার তাদেরকে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের শৃঙ্খলা কমিটির তদন্ত শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। এদের ব্যাপারে আরও বিভিন্ন অভিযোগ আছে বিষয় গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

 

 


ঢাকা, ০৮ অক্টোবর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।