ঢাবি: ৬ দফা দাবিতে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের বিক্ষোভ মিছিল


Published: 2018-05-23 20:04:56 BdST, Updated: 2018-10-19 15:47:40 BdST

ঢাবি লাইভ: কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) সংলগ্ন রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি করেছে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও প্রজন্ম পরিষদ।

সমাবেশে বক্তারা, যে সকল জামাত-শিবির ও স্বাধীনতা বিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল চক্র শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বিনষ্ট ও দেশের উন্নয়ন ব্যহত করা সহ সরকার বিরোধী নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ৬ দফা দাবি তুলে ধরেন।

মঙ্গলবার দুপুর ১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে থেকে সংগঠনের আহ্বায়ক মো: আসিবুর রহমান খানের সভাপতিত্বে এই বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা শুরু হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রদক্ষিণ করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় অভিজিৎ সরকারের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক উপ-আইন সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সাগর, জহুরুল হক শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

এছাড়া আরো উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উপ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আওলাদ খান, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উপ-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম সমন্বয় পরিষদ এর যুগ্ম-আহ্বায়ক মেজর আবু সাঈদ খান (অব:), সহ-সদস্য সচিব এএম রাসেল, সায়েদুল হক জুয়েল, ঢাকা মহানগর সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব শাজাহান রিজভি প্রমুখ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি করেছে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও প্রজন্ম পরিষদ

 

সমগ্র বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা সমন্বয় করেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়ক কাজী রুবেল।

প্রতিবাদ সভার সভাপতি মো: আসিবুর রহমান খান বলেন “কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে প্রতিক্রিয়াশীল চক্র উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে ভিসি’র বাসায় হামলা করেছে, জাতির কাছে আজ তা পরিস্কার। হামলাকারীদের মূল উদ্দেশ্য ছিলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিনষ্ট করাসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরী করে সরকার পতন ঘটানো”।

এই সময় অন্যান্য বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন যারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ষড়যন্ত্র করেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে যারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে তাদের ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়াতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীরা সব সময় রাজপথে অতিতেও ছিল, বর্তমানেও আছে, এবং ভবিষ্যৎতেও থাকবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অস্থিতিশীল পরিবশ তৈরী করার অপচেষ্টা করলে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয় হবে বলে হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেন।

এছাড়া বক্তারা আরো বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করতে হবে; ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে যারা পুড়িয়ে, পিটিয়ে, কুপিয়ে শ্রমিক, কর্মচারী, পেশাজীবী, মুক্তিযোদ্ধা, ছাত্র, যুবক, শিশু, নারীসহ অসংখ্য মানুষ হত্যা করেছে এবং আগুন সন্ত্রাস সৃষ্টি করে বেসরকারি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে, স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল গঠন করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ক্ষুণ্নকারী এবং মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে কটাক্ষকারীদের বিরুদ্ধে পাশ্চাত্যের ‘জেনোসাইড ডিনায়ের ল’ এর আদলে আইন প্রণয়ন করে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

 

ঢাকা, ২৩ মে (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।