হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারিদের মধ্যে মাঝে মধ্যেই সমালোচনা হতোহাসপাতালের মর্গে মৃত নারীদের ধর্ষণ করত যে যুবক!


Published: 2020-11-20 12:48:56 BdST, Updated: 2020-12-02 05:47:45 BdST

লাইভ প্রতিবেদক: জঘন্য। বিভৎস। বর্বর। আদিম যুগকেও হার মানিয়েছে। অত্যন্ত সতর্কতার সাথে এই ন্যাক্কারজনক কাজ করতো সহকারী ডোম মুন্না ভক্ত। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণের জঘন্যতম অপরাধের অভিযোগ উঠেছে ওই নরপিশাচ মুন্নার (২০) বিরুদ্ধে।

পুলিশ ওৎ পেতে থেকে মুন্নার ব্যাপারে নিশ্চত হয়েই
ইতোমধ্যে আটক করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তারা খতিয়ে দেখছেন কি ভাবে কেন এই জঘন্য অপরাধ জগতে তার বিচরণ। তার সঙ্গে আরো কেউ জড়িত কি না তাও নিশ্চিত হতে ইতোমধ্যে গোয়েন্দা নজরদারি চলছে।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের ডোম জতন কুমার লালের ভাগিনা মুন্না ভক্ত। সে মামার সঙ্গেই ওই হাসপাতালের মর্গে সহযোগী হিসেবে কাজ করতো।

পুলিশ আরো জানায়, এই ঘটনাটি নিয়ে হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারিদের মধ্যে মাঝে মধ্যেই সমালোচনা হতো। তারা মুন্নাকে টার্গেট করে সব কিছু দেখছে ও জানতে পেরেছে।

তারা আরো জানায়, দুই-তিন বছর ধরে মুন্না মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণ করে আসছিল। বিষয়টি নিশ্চিত হতে নজরদারি বাড়ানো হয়। অবশেষে এর সত্যতা মিলে। এ অভিযোগের সত্যতা পেয়ে বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) তাকে গ্রেফতার করে সিআইডি।

সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ মো. রেজাউল হায়দার জানান, জঘন্যতম, বিব্রতকর ও স্পর্শকাতর এই অভিযোগ। অভিযোগের সত্যতার পরই ওই যুবককে আটক করেছে সিআইডি। তাকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে।

এই সেই নরপিচাশ

 

শেখ মো. রেজাউল হায়দার আরও জানান, বিভিন্ন স্থান থেকে যেসব লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নেওয়া হতো, সেসব লাশের মধ্য থেকে মৃত নারীদের ধর্ষণ করতো মুন্না। এই নোংরা মানসিকতার কারণ তল্লাশী চলছে।

মৃত নারীদের ধর্ষণের অভিযোগ প্রসঙ্গে মুন্নার মামা জতন লাল কুমার বলেন, মুন্না মাঝে মধ্যে গাঁজা বা নেশাটেশা করতো। কিন্তু এরকম একটি কাজ সে করতে পারে, তা ভাবতেই পারছি না। আমরা গরীব মানুষ। আর আমাদের ঘরে এ ধরণের সন্তান বড় হবে এটা আমরা চাই না।

ঢাকা, ২০ নভেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)/বিএসসি

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।