১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে মা-মেয়ে-বাবা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন


Published: 2020-09-20 06:33:08 BdST, Updated: 2020-10-25 16:36:31 BdST

                                              ফাইল ছবি

কুষ্টিয়া লাইভ: মাত্র ১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে মা-মেয়ে-বাবা মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি গোটা জেলায় ছড়িয়ে পড়লে শোকের ছায়া নেমে আসে। কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় এই ঘটনা ঘটে। পরপর তিনজনের মৃত্যুতে তাদের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অনেকেই এই ঘটনা শুনে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।

মৃত তিনজন হলেন মিরপুরের ধুবাইল ইউনিয়নের গোবিন্দগুনিয়া গ্রামের লালন মল্লিক (৭০), তার স্ত্রী আনজেরা খাতুন (৬৫) এবং তাদের মেয়ে ও মক্কেল আলীর স্ত্রী আঙ্গুরী খাতুন (৪০)। এরই মধ্যে তিনজনের মরদেহ দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, অসুস্থজনিত কারণে শুক্রবার রাত পৌনে ১১টার দিকে বাড়িতে মারা যান লালন মল্লিকের স্ত্রী আনজেরা খাতুন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে জানাজা শেষে তাকে গোবিন্দগুনিয়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এ দিকে মায়ের মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন মেয়ে আঙ্গুরী খাতুন। নিজ বাড়িতে গিয়ে একপর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে বেলা ১১টার দিকে মারা যান আঙ্গুরী খাতুন।

মিরপুর পৌরসভার নওয়াপাড়া এলাকায় বড় মেয়ে স্বামীর বাড়িতে মারা গেছেন- এ খবর শুনে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজ বাড়িতে মারা যান লালন মল্লিক।

তারপর দুপুর ২টার দিকে মিরপুর পৌরসভার নওয়াপাড়া কবরস্থানে আঙ্গুরী খাতুনকে দাফন করা হয়। বিকেল ৫টার দিকে গোবিন্দগুনিয়া কবরস্থানে দাফন করা হয় লালন মল্লিককে।

এ বিষয়ে ধুবাইল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য সাইফুল ইসলাম বলেন, এটা খুবই মর্মান্তিক একটা ঘটনা। দীর্ঘদিন ধরে হার্টের অসুখে ভুগছিলেন আনজেরা খাতুন।

শুক্রবার রাতে মারা যান তিনি। সকাল ৯টায় আমরা তাকে দাফন করি। বেলা ১১টায় জানতে পারি, তার মেয়ে আঙ্গুরী খাতুন মারা গেছেন।

এর কিছুক্ষণ পর জানতে পারি যে স্ত্রী ও মেয়ের শোকে নিজ বাড়িতে মারা গেছেন লালন মল্লিক। এলাকাবাসী জানায় এধরনের ঘটনা বিরল। কিন্তু এ বিষয়ে কারো কোন হাত নেই সৃস্টির কৌশল মেনে নিতেই হবে।

ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম) //এআইটি

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।