নোবিপ্রবির  সাবেক একজন জনপ্রিয় শিক্ষকের কষ্টের কথা...


Published: 2017-11-07 17:39:04 BdST, Updated: 2017-11-24 06:14:55 BdST

 

নুরুল করিম, নোবিপ্রবি: ড.মাসুদ আলম। পেশায় শিক্ষক। আধুনিক ও সভ্যতার ধ্যান ধারনায় বিশ্বাসী। মন আর মানসিকতায় একটু ভিন্নতা থাকলে ও ক্লাসে ছিলেন শিক্ষার্থীদের প্রিয়। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। সাবজেক্ট ছিল অণুজীববিদ্যা। ওই বিভাগের ১ম ও জনপ্রিয় শিক্ষক। গত কিছুদিন আগে তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দীর্ঘদিন কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিতির অভিযোগে।

কিন্তু,এই শিক্ষকের মতে তা ছিল তাঁর উপর অবিচার। এসব ঠুনকো অভিযোগকে তিনি রীতিমত জুলুম বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি গতকাল তার এই বহিস্কারসহ বিস্তারিত তুলে ধরেন তার ফেইসবুক ওয়ালে। নিম্নে তা হুবহু তুলে ধরা হল:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যখন পড়তাম আমাদের অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগটিকে তখন ও নতুন বিভাগ বলেই মনে হতো ৷ প্রায় ২০/২৫ জন শিক্ষক এবং অন্যান্য কর্মকর্তা / কর্মচারীরা আমাদের প্রায় শ’দেড়েক ছাত্রছাত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে ব্যস্ত ৷

প্রতিদিন ক্লাস, প্রাকটিক্যাল, সপ্তাহের শুরুতে মিডটার্ম, বছরান্তে পরীক্ষা ইত্যাদি খুব স্বাভাবিক ভাবে চলত ৷ মাঝে মাঝে ক্লাসে সিনিয়র শিক্ষকরা বিভাগের শুরুর দিকে তাদের নানা বাধা বিপত্তির ইতিহাস বলতেন ৷ ছাত্র হিসেবে শিক্ষকদের সেই সব কথা গল্পের মতো মনে হত ৷

 

নিজের অজান্তেই একদিন আমি নিজেও এই গল্পের অংশ হয়ে গেলাম ৷ ২০১০ সালে নিজেই শিক্ষক হিসেবে যোগ দিলাম নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ৷ সে এক অন্য রকম গল্প ৷ বিভাগের শিক্ষক একজন এবং সেটা আমি ৷ নেই কোনো কর্মকর্তা, বসার কোনো রুম, আছে শুধু কিছু ছাত্র-ছাত্রী ৷ প্রথমেই একটা ধাক্কা খেলাম ৷

এতগুলো নতুন মুখ, সম্ভাবনায় উজ্জ্বল তাদের মন ভেঙে দিতে মন চাইল না ৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মত নিয়মিত ক্লাস, প্রাকটিক্যাল, মিডটার্ম সবই চললো প্রার্থক্য শুধু একটাই, শিক্ষক আমি একা ৷ এরপর কিভাবে যে ২ বছর ৪ মাস কেটে গেলো জানি না ৷ বন্ধুরা/জুনিয়ররা একে একে বিশ্বের নানা প্রান্তে পিএইচডির জন্য চলে যাচ্ছে ৷

অতঃপর আমি নিজেও ২০১২ সালের অক্টোবর মাসে জাপানের কুমামতো বিশ্ববিদ্যালয়ে আসলাম ৷ ইচ্ছে ছিল পিএইচডি এর পর সোজা ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে যাবো ৷ পিএইচডির প্রায় শেষে দেখলাম, আমার বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক পদের জন্য বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে ৷

বিজ্ঞাপনে আবেদনের শেষ তারিখ ছিল ১১ জানুয়ারী ২০১৭ এবং ঐদিন জাপানিজ অধ্যাপকদের সভায় আমার পিএইচডি এর সকল ক্লাস রেকর্ড / পাবলিশড ম্যানুস্ক্রিপ্ট একসেপ্টেড হলো ৷ আমি নোবিপ্রবি কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করি এবং আমাকে বলা হলো যে, জাপানিজ অধ্যাপকদের সভায় সামারির একটি সার্টিফিকেট (সকল ফলাফল এর ভিত্তি করে প্রথমে এই সার্টিফিকেট অর্জন করে) ডিন অফিস থেকে নিয়ে আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে, তাহলে আমার সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদের আপগ্রেডেশনে কোনো বাধা থাকবেনা ৷

ডিন অফিস থেকে অধ্যাপকদের সভায় সামারির উপর ভিত্তি করে আমাকে সার্টিফিকেট দিলো, সাথে আমার পিএইচডি অধ্যাপক এর রিকমেন্ডেশন এবং ফাইনাল পিএইচডি ডিফেন্সের তারিখ দেওয়া হল ২৫ জানুয়ারী ২০১৭ ৷

যেহেতু দেশে ফিরতে চাই এবং আমি নিজে এই পদের আবেদন করবার যোগ্যতা রাখি তাই আমি ও ১১ এ জানুয়ারি ২০১৭ দুপুরে সব সার্টিফিকেট সংযুক্ত করে সহযোগী অধ্যাপক পদে আপগ্রেডেশনের জন্য আবেদন করলাম ৷ কেন জানি না এটাই আমার জন্য কাল হয়ে দাঁড়ালো নাকি ৷

নোবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ সকল আবেদনগুলো ২২ শে জানুয়ারী অণুজীববিজ্ঞান বিভাগে পাঠিয়ে দিল এবং একরাতের ভিতর যাচাই বাছাই করে যোগ্য প্রার্থীদের (যাদেরকে ভাইভা কার্ড প্রদানের জন্য বিবেচনা করে) আবেদনগুলো পুনরায় কর্তৃপক্ষের কাছে পোঁছানোর নির্দেশ দিলো ৷

একজনকে সিনিয়র হিসেবে নিয়োগ দেয়ার জন্য সমগ্র সিস্টেম আমার বিরুদ্ধে চলে গেল ৷ প্রথমে ভাইভার তারিখ ঠিক হলো ২৮ জানুয়ারী, আমি সাথে সাথে উপাচার্য মহোদয়কে ফোন করলাম এবং জানালাম ২৫ জানুয়ারী পিএইচডির ফাইনাল ডিফেন্স দিয়েই আমি নোবিপ্রবির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিব, কারণ জাপান থেকে বাংলাদেশে আসতে দেড় দিনের মত লাগে ৷

এটি শুনে ভাইভার তারিখ একদিন এগিয়ে দিলো ২৭ জানুয়ারী ২০১৭ (শুক্রবার) যাতে আমি দেশে এসে ভাইভাতে অংশগ্রহণ করতে না পারি ৷ পরবর্তিতে নোবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছেন যে, আমাকে ভাইভা কার্ড দিবে না কারণ আমার এখন ও কনভোকেশন শেষ হয় নি ৷

উপাচার্য মহোদয়ের এ কথা গুলো নিতান্তই হাস্যকর ছিল ৷ আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স এবং মাস্টার্স শেষ করেছি, কোন কনভোকেশনে উপস্থিত হতে পারিনি ৷ তাই বলে কি আমি পাস করিনি ? চাকুরী করিনি ? পিএইচডিতে অংশগ্রহণ করিনি ? আমি পাস করেছি, চাকুরী করেছি এবং পিএইচডিতে ও অংশগ্রহণ করেছি ৷

১১ জানুয়ারী থেকে ২৭ জানুয়ারী, মাত্র ১৫ দিনের (বন্ধের দিনসহ) ভিতর নোবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ সহযোগী অধ্যাপক নিয়োগের সকল কার্য (আবেদন পত্র গ্রহন, যোগ্য পার্থীদের যাচাই বাছাই এর জন্য আবেদন পত্র বিভাগে প্রেরণ, বিভাগ থেকে তালিকা গ্রহণ, ভাইভা এর তারিখ, ভাইভা বোর্ড এর এক্সটারনাল মেম্বারদের সাথে যোগাযোগ সব) স্বযত্নে সম্পন্ন করেন ।

কিছু বোর্ড সদস্য এত অল্প সময়ের ব্যবধানে নোয়াখালী যেতে অপারগতা প্রকাশ করলে, ভাইভা বোর্ড ঢাকাতেই করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং শেষ পর্যন্ত ঢাকাতেই বোর্ড হয় ৷

আজগুবি সব পদ্ধতিতে ভাইভার তারিখ পরিবর্তন হতে থাকল যেন আমাকেই দূরে রাখবার জন্য, এমন আচরণে মন অনেকটা ভেঙ্গে গেলেও যা হয় ভালর জন্য হয় মনে করে এগিয়ে চললাম ৷

পিএইচডির শেষের দিকে আমার জাপানিজ অধ্যাপক বললেন "পিএইচডিতো গবেষণার শেষ না, অন্তত বছর দুয়েক পোস্টডক করা উচিত " এটা সবাই জানেন যে, পিএইচডির চারপাঁচ বছরের মাঝে পোস্টডক না করলে আর পোস্টডক পাওয়া যায় না ৷ আমাকে যেহেতু নোবিপ্রবির অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগ থেকে দূরে রাখার এতই ইচ্ছা আমিও ভাবলাম কিছুদিন দূরে থাকি ৷

আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহে বিশ্বের বিখ্যাত গবেষনা প্রতিষ্ঠান আমেরিকার এনআইএইচ-এ ভিজিটিং পোষ্টডক্টরাল ফেলো হিসেবে যোগদানের সুযোগ পেলাম ৷ সাথে সাথে উপাচার্য মহোদয়কে ফোনে জানালাম এবং আমার পোস্টডক্টরাল ছুটির আবেদন অণুজীববিজ্ঞান বিভাগে চেয়ারম্যান স্যারের এর নিকট পাঠালাম ৷

উপাচার্য মহোদয় আমাকে বলেছিলো তুমি যদি নোবিপ্রবিতে এসে আমার সাথে দেখা না করো তাহলে আমি তোমাকে কোন ছুটি দিব না ৷ অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান স্যার বলেছিলো আমি এখন ফরওয়ার্ড করতে পারবোনা, তুমি আসলে উপাচার্য মহোদয়ের অনুমতিক্রমে বিভাগ থেকে ফরওয়ার্ড করবো ৷

পরবর্তীতে ১৬ ই মার্চ ২০১৭ আমি জাপান থেকে নোবিপ্রবিতে পোঁছালাম এবং বিভাগে সকল শিক্ষকের উপস্থিতিতে সভায় (আনুমানিক বিকেল ০৫:৩০) উপাচার্য মহোদয় বিভাগের চেয়ারম্যান স্যারকে বলেছিলেন ছুটির আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করে ফরওয়ার্ড করতে এবং আমাকে পোস্টডক্টোরাল ছুটি দিবে ৷

নোবিপ্রবির বর্তমান অন্যনো সম্মানিত শিক্ষকরা ও এভাবে পিএইচডির পরপরই বিভাগে যোগদান না করে পোস্টডক ছুটি নিয়েছেন, যারা পরবর্তীতে পোস্টডক শেষ করে বিভাগে এসে যোগদান করেছেন ৷

পরের সপ্তাহে (২৫ শে মার্চ, ২০১৭) আমি উপাচার্য মহাদয়ের অনুমতিক্রমে বাংলাদেশ থেকে জাপান এ চলে আসি (আমার বাংলাদেশ থেকে জাপান যাওয়ার গভর্মেন্ট অর্ডার নেওয়া ছিল) ৷ ছুটির আবেদন করে জাপানে ফিরে পিএচডির সার্টিফিকেট নিয়ে অবশেষে আমেরিকার পথে যাত্রা করলাম ৷

কিছু দিন আগে জানতে পারলাম, আমার ছুটির আবেদন গ্রহণ হয় নি এমনকি ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে ৷ নোবিপ্রবির বর্তমান চেয়ারম্যান স্যার বরাবর চূড়ান্ত কারণ দর্শানোর উত্তর সাত কর্ম দিবসের মধ্যে দেয়ার পরও পত্রিকার মারফত জানতে পারলাম আমার উত্তর উপাচার্য মহোদয় বরাবর পৌঁছে নাই এবং আমাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে ৷

আমি জানি না কেন বর্তমান চেয়ারম্যান স্যারের কাছে থেকে আমার জবাব কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেনি অথবা পোঁছানো হয় নি ৷ আমি তো হারিয়ে যাইনি ৷ জাপানে পিএচডি করার ব্যস্ত সময়েও বিশ্ববিদ্যালয় এবং ছাত্রছাত্রীদের সাথে যোগাযোগ রেখেছি ৷

ভাবতে অবাক লাগে, যেখানে ২০১৭ এর ১৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পরে ও আবার বিভাগের চেয়ারম্যান স্যার ও উপাচার্য মহোদয়ের সাথে কথা হলো, সবাই পোস্টডক পাওয়ার জন্য অভিনন্দন জানালো, সেখানে চূড়ান্ত কারণ দর্শানোর নোটিশের মাত্র আট দিন পর পোস্টডকে যাওয়ার জন্য আমার চাকরি নাই ৷

রিজিক আল্লাহ হাতে ৷ আমার ভবিষ্যৎ আল্লাহ যেখানে রেখেছেন সেখানেই হবে ৷ তবে আমি জানি না আমার মত নবীন শিক্ষকদের গবেষণার অভিজ্ঞতা অর্জনের পথ এভাবে বন্ধুর করে দেওয়া কিভাবে বাংলাদেশ ও তার স্বাধীনতার পক্ষের যায় ৷ আমি উচ্চাভিলাষী নই ৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মাইক্রোবায়োলজির ছাত্রের যে স্বাভাবিক ক্যারিয়ার পরিকল্পনা হওয়া উচিত আমি শুধু সে পথেই চলছিলাম ৷

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা, তারপর পিএচডি, পোস্টডক করে লব্ধ অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে গবেষণা করা এবং আগামী প্রজন্মকে গড়ে তোলা ৷ আমি জানিনা আমার এই অভিজ্ঞতার পরে দেশে শিক্ষক হতে ইচ্ছুক ভবিষ্যৎ অণুজীব বিজ্ঞানীরা তাদের ক্যারিয়ার প্লান কিভাবে করবেন ৷

আমি সকল গ্রাজুয়েট মাইক্রোবায়োলজিস্ট, এলামনাই এবং আমাদের সম্মানিত শিক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ৷ আমি মোঃ মাসুদ আলম কি একা ? আমেরিকায় এনআইএইচএ পোষ্টডক করতে আসা কি আমার পাপ ছিল ? নোবিপ্রবি না হয় নতুন বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় শত বছরের ইতিহাসে কোন শিক্ষক কি পিএইচডির পরে পোস্টডক করতে চেয়ে কিছুদিনের মাঝে চাকুরী খুইয়েছেন ?

নোবিপ্রবির উপাচার্য মহোদয়, অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের বর্তমান প্রধান, আমার সম্মানিত শিক্ষকমণ্ডলী এবং সকল গ্রাজুয়েট মাইক্রোবায়োলজিস্টের কাছে প্রশ্ন ? ভয় হয়, প্রতিবাদ করতে গিয়ে আর কি কি নোংরামির স্বীকার হতে হয় ৷ হয়ত এরপর আমার স্ত্রী রোকেয়া সিদ্দিকীর পালা ৷

অবাক হব না যদি এরপর আদর্শগত ট্যাগিং শুরু হয় ৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকের উপস্থিতিতে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় উর্ত্তিন্ন হয়ে আমি নোবিপ্রবির শিক্ষক হিসেবে যোগ দেই ৷ আমি বিশ্বাস করি আমার আদর্শ নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে এর জবাব আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকরাই দেবেন ৷

আমাকে অবহেলার কোন সুযোগ নেই ৷ আমার শক্তি হল আমার সততা, স্বচ্ছতা এবং শ্রম যার স্বাক্ষর নোবিপ্রবির অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের আজকের অবস্থান ৷

পরিশেষে শুভাকাঙ্খীদের নিকট আমি ও আমার পরিবারের জন্য দোয়া আশা করছি ৷

ঢাকা, ০৭ নভেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//সিএস

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।