ফলাফল বিপর্যয়, ২৪ প্রধান শিক্ষককে শোকজ


Published: 2018-01-05 08:55:20 BdST, Updated: 2018-10-16 08:09:01 BdST

 

লাইভ প্রতিবেদক: কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার শতকরা ৬২ ভাগ থাকলেও সরাইল উপজেলার ২০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে।

সরাইলে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় (জেএসসি) ফল বিপর্যয়ের ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপর্যয়ের কারণ জানতে উপজেলার ২৪ প্রতিষ্ঠান প্রধানকে শোকজ করেছেন।

যেখানে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার শতকরা ৬২ ভাগ। সেখানে সরাইলের পাসের হার মাত্র ৪০.৫৬ ভাগ। হতাশ অভিভাবক ও উপজেলা প্রশাসন।

মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলার ২০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২টি প্রাথমিকের থেকে মোট ৩ হাজার ৬২৪ জন শিক্ষার্থী জেএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে।

পাস করেছে মাত্র ১ হাজার ৪৭০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০ জন। ফেল করেছে ২ হাজার ১৫৪ জন। এ ২ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী ১ বছরের জন্য পিছিয়ে পড়েছে। আবার এখান থেকে অনেকেই ঝরে পড়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।

তাই ফলাফল বিপর্যয়ে হতাশ হয়ে ইউএনও গত বুধবার (স্মারক নং-০৫.৪২.১২৯৪. ০০০.০৪.০০৪.১৭-১৩) ২২টি বিদ্যালয় ও ২টি মাদরাসার প্রধানকে শোকজ করেছেন। এ বিপর্যয়ের সঠিক কারণ ব্যাখ্যাসহ পত্র প্রাপ্তির ৫ (পাঁচ) কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

সবচেয়ে বেশি খারাপ করেছে ধর্মতীর্থ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (৯.২১ ভাগ)। এরপর ক্রমানুসারে পানিশ্বর উচ্চ বিদ্যালয় (২৬.৮৭ ভাগ), শাহজাদাপুর উচ্চ বিদ্যালয় (২৭.৪৬ ভাগ), সরাইল সদর উচ্চ বিদ্যালয় (২৭.৫৭ ভাগ), জয়ধরকান্দি আলীম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় (২৭.৭৮ ভাগ), নোয়াগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় (২৯.১০ ভাগ), কুট্টাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় (২৯.১৯ ভাগ),সামছুল আলম উচ্চ বিদ্যালয় (৩৫.৬৬ ভাগ), আলহাজ নূরুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় (৩৮.৩০ ভাগ), কালিকচ্ছ পাঠশালা উচ্চ বিদ্যালয় (৩৮.৫৩ ভাগ), শাহবাজপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় (৩৮.৮৩ ভাগ), দেওড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (৩৯.২৭ ভাগ), অরুয়াইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় (৪১.৩৭ ভাগ), ধামাউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (৪১.৯৪ ভাগ), হাজী মুকসুদ আলী নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় (৪৫.২৪ ভাগ), বেড়তলা উচ্চ বিদ্যালয় (৪৭.৪৬ ভাগ), চুন্টা এসি একাডেমি (৪৮.৩৫ ভাগ), নোয়াগাঁও শেখ আশরাফ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৫২.৭০ ভাগ), সরাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (৫৮.৮৭ ভাগ), পাকশিমুল হাজী শিশু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় (৬০.২০ ভাগ), সৈয়দা হুছেনা আফজাল বালিকা বিদ্যালয় (৬৩ ভাগ)। আর গোটা উপজেলায় সবচেয়ে ভালো ফলাফল করেছে সরাইল অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (৭৭.২৪ ভাগ)।

এ ছাড়া সরাইল রাহমাতুল্লিল আল-আমিন দাখিল মাদরাসা ও পানিশ্বর মাদিনিয়া গাউছিয়া দাখিল মাদরাসাকেও শোকজ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইসরাত শোকজ করার কথা স্বীকার করে বলেন, এখানকার জেএসসি’র ফলাফল হতাশাব্যঞ্জক। বিপর্যয়ের কারণ জানা দরকার। তাই শোকজ করেছি।


ঢাকা, ৫ জানুয়ারী (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।