বিশ্ববিদ্যালয়ে স্মার্ট ক্যারিয়ারের প্রস্তুতি, চাকরিই খুঁজবে আপনাকে


Published: 2018-06-25 13:30:40 BdST, Updated: 2018-11-16 20:34:37 BdST

মো. ইউনুছ : যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় (পাবলিক, প্রাইভেট বা জাতীয়) থেকে স্নাতক পাশ করার পর আপনার যোগ্যতার পাশাপাশি কি কি দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং গুণ থাকা উচিত?
এসব গুণাবলি আপনার স্মার্ট ক্যারিয়ারে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় : পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত প্রাথমিক, অষ্টম পর্যন্ত নিম্ন মাধ্যমিক, দশম পর্যন্ত মাধ্যমিক, দ্বাদশ পর্যন্ত উচ্চ মাধ্যমিক, অনার্স+মাস্টার্স পর্যন্ত উচ্চশিক্ষা এবং এম.ফিল/পিএইচডি পর্যন্ত উচ্চতর শিক্ষা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তাহলে, অনার্স বা স্নাতক পাশ করার পর আপনার একটি আলাদা পরিচয় হয়, আপনি গ্রাজুয়েট, একজন স্নাতক। অর্থাৎ মোটামুটি উচ্চশিক্ষিতের সংজ্ঞায় আপনি পড়েন।

উচ্চশিক্ষিতের লাইনে দাঁড়ানো লাখ লাখ মানুষ বাংলাদেশে আছে। কিন্তু দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, গুণসম্পন্ন মানুষ পাওয়া মেলাভার।

সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বা অনার্স পাশ মানে হল, আপনি শিক্ষিত, সমাজ আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু আশা করে।

১. একাডেমিক জ্ঞান (Academic Knowledge) : আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো Discipline থেকে বা কোনো বিষয়ে অনার্স পাশ। তার মানে, ওই পঠিত বিষয়ে আপনি অন্য সবার চেয়ে বেশি জ্ঞান রাখবেন- এটাই সবাই আশা করে। এটাই হওয়া বাঞ্ছনীয়। তাই প্রথমত আপনাকে আপনার পঠিত একাডেমিক বিষয়ে পারদর্শী হতে হবে। অন্তত অন্য সবার চেয়ে বেশি জানতে হবে। সিলেবাসের বই, শিট, articles, reference বা যা কিছু reading materials আছে, তা ভালভাবেই পড়তে হবে।

এটা একটা প্রকট সমস্যা যে, আমাদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস যাই হোক, বইগুলো অনেকটা traditional format এর। আর, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচুর reading materials থাকায় শিক্ষার্থীরা জানার জন্য পড়ে খুবই কম। আপনাকে অন্তত আপনার পঠিত বিষয়ে পারদর্শী হতে হবে। You must obtain a satisfactory level (more than average) of knowledge regarding your academic discipline.

২. আচরণ (Behaviour) : আপনার কথাবার্তা, চিন্তা, মননশীলতা, ব্যবহার, চলাফেরা- সবকিছু আপনার ব্যাক্তিসত্ত্বার, আদর্শের বহিঃপ্রকাশ। একজন শিক্ষিত মানুষের কথা ভাবলে মনে ভেসে একজন মার্জিত, ভদ্র, নম্র, বিনয়ী মানুষের অবয়ব। একজন মূর্খ পারে একজন সম্মানী লোকের সাথে বেয়াদবি করতে, বা কোনো অভদ্র আচরণ করতে। কিন্তু একজন শিক্ষিতের পক্ষে তা মানায় না। মূর্খ সে পেটের দায়ে চুরি করতে পারে, গালাগালি করতে পারে, বিনা দোষে কাউকে আঘাত করতে পারে, অযথা কথা বলতে পারে, অনর্থক তর্ক করতে পারে। একজন স্নাতকের ব্যাপারে সমাজ এসব মেনে নেবে না। আচরণ বড় গুণ। এ গুণ না থাকলে বিদ্যাসাগর হয়েও লাভ নেই। এর গুরুত্ব সবার আগেই।

৩. Value Education : আমরা শিক্ষিত বলতে বুঝি একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ের ক্লাস অতিক্রম করা। "শিক্ষা " প্রাতিপদিকের সাথে "ইত" প্রত্যয় যোগ করলে তদ্ধিত প্রত্যয়ঘটিত শব্দ "শিক্ষিত " পাওয়া যায়। অর্থাৎ শিক্ষিত মানে শিক্ষার অধিকারী, শুধু সার্টিফিকেটের অধিকারি নয়। তাই যেকোনো বিষয়ে আপনি স্নাতক হোন না কেন, আপনাকে সিলেবাসের বাইরেও চার বছরে বিভিন্ন বিষয়ে অন্তত ২০০ বই পড়ে ফেলতে হবে। বছরে মাত্র ৫০ টি বই। অর্থাৎ প্রতি সপ্তাহে ১ টি করে পড়লেও এক বছরে ২ সপ্তাহ রেস্ট নিতে পারবেন। (১ বছরে ৫২ সপ্তাহ) সপ্তাহে ১ টি বই মাত্র, কঠিন কিছুই না। নিয়মিত পাঠকগণ সপ্তাহে ১ হাজার পৃষ্ঠা থেকে ১৫০০ পৃষ্ঠাও পড়তে পারে। এভাবে ২০০ বই পড়া হলে আপনার একটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি (Holistic view) তৈরি হবে, আপনার নিজস্ব দর্শন তৈরি হবে। পড়াশোনা আপনার কাছে খুবই সহজ মনে হবে। আপনাকে চাকরির জন্য পড়াশোনা করার সময়ও কম পরিশ্রমে সফল হবেন।

ওপরের গুণগুলো সকল গ্রাজুয়েট দের থাকা উচিত।
অর্থাৎ, পাবলিক- প্রাইভেট -ন্যাশনাল সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। পাবলিক বা ভাল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স করে থাকলে আপনাকে পাশাপাশি আরও বেশ কিছু কাজ করে ফেলতে হবে।

৪. গবেষণা : অনার্সের পাশাপাশি আপনি আপনার academic discipline অনুযায়ী বেশ কয়েকটি আর্টিকেল বা গবেষণাপত্র পড়ে ফেলেন। ৩য় বর্ষ থেকে ৪র্থ বর্ষ- ২ বছরে মাসে একটি করে পড়লেও ২৪ টি, সপ্তাহে একটি করে পড়লেও ২ বছরে কমপক্ষে ১০০ টি গবেষণাপত্র আপনার পড়া হয়ে যাবে। ৩য় বর্ষ থেকে পড়াই উত্তম। তার আগে গবেষণা বুঝে উঠা সহজ নয়। এখন প্রশ্ন হল, আর্টিকেল পাবেন কোথায়? কিভাবে পড়বেন?

আপনার যেই বিষয়ে জানার আগ্রহ বেশি, সেই বিষয়েই আর্টিকেল পড়তে পারবেন।
Google Scholar এবং jstor -এ প্রচুর আর্টিকেল পাওয়া যায়। লাখ লাখ আর্টিকেল থেকে আপনি দুয়েকটা চয়েস করতে পারেন। গুগল সার্চ করলেই এসব পাওয়া যাবে, যদিও jstor এ access পাওয়া যায়না, কিনে নিতে হয়।

American journal of science, Academy of science, Sage, American Sociological Journal, Psychological journal সহ Business এর ওপর লেখা বিভিন্ন জার্নাল থেকে হাজার হাজার আর্টিকেল প্রকাশিত হয়। সেখান থেকে download করে বা সরাসরি পড়তে পারেন।

৫. গবেষণা প্রকাশ : শুধু গবেষণা আর্টিকেল পড়লে আপনার ধারণা হবে। এরপর গুরুত্বপূর্ণ দুয়েকটি বিষয়ে আপনিও গবেষণা করতে পারেন। ভাল মানের গবেষণা হলে international journal এ প্রকাশ করবেন। অনার্স বা মাস্টার্স শেষ করার মধ্যেই অন্তত ৪-৫ টি আর্টিকেল নিজে লেখার চেষ্টা করবেন। এর জন্য আপনাকে সম্পূর্ণ গবেষণা শিখতে হবে।

৬. সোশাল নেটওয়ার্ক : বর্তমানে সামাজিক সম্পর্কের বা নেটওয়ার্কের গুরুত্ব বলার অপেক্ষা রাখেনা। আপনার প্রচুর বন্ধু বা পরিচিত মানুষ থাকা আবশ্যক। বন্ধু মানে ফেসবুক ফ্রেন্ড নয়, বাস্তব জগতের বন্ধু। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বেন, অথচ আপনার বাংলাদেশের অন্তত ৫০ টি জেলায় বন্ধু থাকবেনা তা কি হয়! ৬৪ জেলার প্রত্যেকটিতে অন্তত ভাল ২ জন করে বন্ধু থাকলেই পুরো বাংলাদেশ আপনার হাতের মুঠোয়! সারাদেশে ১০০ জন ভাল বন্ধু থাকা চাই, যাদেরকে আপনি সবসময় পাশে পাবেন।

বন্ধু ছাড়াও দেশের প্রত্যেক জায়গায় আপনার কমপক্ষে একজন হলেও ভাল পরিচিত মানুষ থাকা চাই । সেটা অবশ্যই উচ্চপদস্থ কোনো চেয়ার। যেমন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, পুলিশ, প্রশাসন, আর্মি, রাজনীতিবিদ, ডাক্তার, এডভোকেট, NSI, সাংবাদিক, গবেষক, প্রবাসী, লেখক শিল্পী, ব্যবসায়ী, অভিনেতা, বৈদেশিক এম্বাসী, আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তা ইত্যাদি।

৭. ইংরেজির দক্ষতা ও চাকরির প্রস্তুতি : উচ্চশিক্ষাসহ বিদেশে উচ্চতর ডিগ্রি, চাকরি, ইন্টারনেটে যেকোনো কাজ এবং সর্বোপরি স্মার্টনেসের জন্য হলেও ইংরেজি ভাষাটা ভালভাবে জানা ফরজ। অনার্স শেষ করার আগেই আপনি ইংরেজিতে grammar, phonetics, vocabulary সহ speaking, listening, reading, writing - এই চারটি স্কিল ভালভাবে অর্জন করা চাই। এসবের ওপর সার্টিফিকেট অর্জন রাখা আরও ভাল। এজন্য আপনি IELTS, TOEFL, GRE দিতে পারেন। কোনটা কিভাবে করবেন, সবকিছু এখন গুগলে পাওয়া যায়। সার্চ দিয়েই দেখে নিতে পারেন। এসব পরীক্ষা মূলত আন্তর্জাতিকভাবে নেওয়া হয় এবং পৃথিবীর সব জায়গায় accepted. তাই স্কোর ভাল করার চেষ্ট করবেন। IELTS -এ ৭.৫ এবং TOEFL এ ১২০ এর মাঝে ১১০ টার্গেট থাকতে হবে।

এছাড়াও সরকারি উচ্চপদে চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন। যথেষ্ট মেধাবী, পরিশ্রমী হলে এবং আপনার বেসিক ভাল থাকলে আত্মবিশ্বাসের সাথে আপনি ৩০০ ঘন্টা পড়লেও যথেষ্ট হতে পারে। এ ৩০০ ঘন্টা হতে পারে ১০ঘন্টা করে ৩০ দিন, ৫ঘন্টা ৬০ দিন বা ২ ঘন্টা করে ১৫০ দিন বা ৫ মাস। তবে সবচেয়ে বড় সত্য হল, কারও জন্য ২০০ ঘন্টাও হতে পারে, আবার কারও জন্য ১২০০ ঘন্টাও হতে পারে। এটা নির্ভর করে ব্যাক্তিগত absorbing capability এর ওপর।

৮. ভাষাগত দক্ষতা : আপনার মাতৃভাষা বাংলা। সুতরাং আপনি বাংলা ভাষা ভালোভাবে পড়তে, বলতে, শুনতে ও লিখতে পারবেন- এটা স্বাভাবিক। শব্দের সঠিক উচ্চারণ ও বানান অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি ভার্সনে পড়াশোনা করার ফলে ইংরেজি অনেকটা সহজ হয়ে যায়। ভালভাবে না পারলেও অন্তত ইংরেজির ভয় আর থাকেনা। বাংলার পাশাপাশি ইংরেজিতেও ৪ টি স্কিল ভালভাবে অর্জন করতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, আপনি বাংলা - ইংরেজির পাশাপাশি বহুল প্রচলিত অন্য কোনো বিদেশি ভাষা পারেন কিনা। বাংলা ইংরেজি মোটামোটি অনেকেই পারে, কিন্তু বিদেশি ভাষা জানা মানুষের সংখ্যা কম। তাই এটি গুরুত্বপূর্ণ। ফ্রেঞ্চ, স্প্যানিশ, আরবি, চায়না ভাষাগুলো বহুল প্রচলিত এবং জাতিসংঘেরও ভাষা। জাপানী, কোরিয়ান, জার্মান, ইতালীয় ভাষাগুলোও ডিমান্ডেবল। আপনি যেকোনো একটি বা দুটি ভাষা ভাল করে শিখে ফেলেন। বেশি না, ১০০০ noun, verb, adjective সহ Pronoun এর form গুলো মুখস্ত এবং কিছু preposition সহ বাক্য গঠন জানা থাকলেই যেকোনো ভাষায় কথা বলা যায়। তবে চায়নিজ, কোরিয়ান ভাষা অপেক্ষাকৃত কঠিন। যা-ই হোক বেশিদিন লাগেনা একটা ভাষা শিখলে। মোটামুটি সব ভাষারই syntax প্রায় একই রকম। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা ইনস্টিটিউট থেকে বা যেকোনো ভাষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই ভাষা শিখতে পারেন।

৯. Skill Development : পড়াশোনার পাশাপাশি computer এবং IT সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়ে রাখলে বর্তমান ও ভবিষ্যতে অনেক কাজে লাগে।

Computer and IT excellence : MS Word, Excel, Powerpoint, video editing, graphic design, database, programing, apps development, web design and development ইত্যাদি। ( যখন সেটা সম্ভব হয়)

Research and Experience : SPSS, Stata, Data entry, Data Analysis, Proposal Writing, Biodata Development, Research workshop, Working experience.

Social Skillness : debating, leadership, communication, presentation, public speaking, public management, event oorganizing, report writing, voluntary activities ইত্যাদি।

১০. এক্সট্রা কারিকুলার : পড়াশোনার পাশাপাশি আপনার যা যা থাকা উচিত। সামাজিকতা, communicative competence, সবার সাথে আড্ডা দেওয়ার ability, গান, জোকস, খেলাধূলা ইত্যাদি জানা।
- দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভ্রমণ এবং সম্ভব হলে দেশের বাইরেও গমন (একবার হলেও)।

১১. Personal Belonging : আপনার প্রথমেই একটি valid email account থাকা আবশ্যক। তারপর একটি ব্যাংক একাউন্ট, একটি চমৎকার CV, পাসপোর্ট, এবং সম্ভব হলে ড্রাইভিং লাইসেন্স, TIN (Tax Identification Number) নাম্বার...
ইত্যাদি কমপ্লিট করে রাখবেন।
বিষয়গুলো আপনার কাছে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে হলেও, এমন সময় আসতে পারে যে, শুধু পাসপোর্ট না থাকায় আপনি একটি বিদেশ ভ্রমণ, ট্যুর, ইন্টারন্যশনাল প্রোগ্রাম মিস করছেন।
অথবা ব্যাংক একাউন্ট না থাকায় আপনাকে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

১২. Organizational and voluntary skillness : সম্ভব হলে দুয়েকটা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে রাখতে পারেন। অভিজ্ঞতার সনদ সংগ্রহ করে রাখবেন। উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি, চাকরি- এসবের ক্ষেত্রে কাজে লাগতে পারে।

১৩. যোগাযোগ কৌশল : মানুষের সাথে কথা বলার সময় কৌশল অবলম্বন করবেন
- চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলবেন। তাহলে সে বুঝবে আপনি তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।
- যার সাথে কথা বলবেন, তাকে বলার জন্য বেশি সময় দিবেন। আপনি শুনবেন বেশি বলবেন কম। তাহলে সে খুশি থাকবে। কারণ, মানুষ তার নিজের কথা অন্যকে শোনাতে পছন্দ করে।
- যে যেই বিষয়ে কথা বলতে চায়, তার সাথে সেই বিষয়েই বলতে হবে। যেমন, রাজনীতিবিদের সাথে আপনার অন্য কারও সাথে প্রেমের সম্পর্কের কথা বলবেন না, রাজনীতির কথাই বলবেন। খেলোয়ারের সাথে আপনার গত রাতে দেখা স্বপ্নের কথা বলবেন না। খেলা নিয়ে আলোচনা করবেন।
- সবসময় চলমান খবর, রাজনীতি, পরিসংখ্যান ইত্যাদি সম্পর্কে আপডেট থাকবেন। কিছু পরিসংখ্যান সবসময়ই মুখস্ত রাখবেন। তথ্যবহুল কথা বলার জন্য কাজে লাগবে।

নিজেকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলবেন, পৃথিবীকে চ্যালেঞ্জ করবেন, পৃথিবী আপনার পেছনে ঘুরবে।

মোঃ ইউনুছ, শিক্ষার্থী ও সংগঠক
সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা, ২৫ জুন (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//সিএস

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।