রাজু রাজের ব্যাকরণ ববির ‘বাংলা সাইক্লোন’ পাঠক প্রিয়তা পাচ্ছে


Published: 2019-09-05 17:39:43 BdST, Updated: 2019-09-19 21:27:56 BdST

ববি লাইভ: ছোট থেকে নোট করার প্রতি ছিল আলাদা টান। তবে ক্লাস-৮ এ গণিত নোট তৈরী করে বন্ধুদের মাঝে একটা সাড়া ফেলেছিলেন। নবম-দশম, একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণী এমনকি ভার্সিটিতে এসেও হ্যান্ডনোট তৈরী করে বন্ধুদের এবং জুনিয়রদের একাডেমিক সহায়তা করার চেষ্টা করেন। বলছলিাম সম্প্রতি ‘বাংলা সাইক্লোন’ (বাংলা ব্যাকরণের গৃহশিক্ষক) নামে একটি বই লিখে পাঠক প্রিয়তা পাওয়া লেখক বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র রাজু রাজের কথা ।

বইটি অল্প কয়েকদিনে সাড়া ফেলেছে, জয় করেছে পাঠকদের মন। শুধু তাই নয় কলকাতা থেকেও বইটি পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করছে এবং বর্তমানে কলকাতা পৌঁছে গেছে বইগুলো। বাংলাদেশের অনেক স্কুলের শিক্ষক স্টুডেন্টদের জন্য বইটি কুরিয়ার করে নিয়ে যাচ্ছে। র্বতমানে বইটি বাংলাদেশের সকল অভিজাত লাইব্রেরিতে পাওয়া যাচ্ছে।

অর্থনীতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র রাজু রাজ

 

বইটি ২টি র্ভাসনে পাওয়া যাচ্ছে। ১৫০ টাকা মূল্যের প্রথম ভার্সনে রয়েছে ভার্সিটি ভর্তি ও জবের জন্য ২০০ টাকা মূল্যের দ্বিতীয় ভার্সনে রয়েছে ৯ম-১০ম শ্রেণীর জন্য স্পেশাল ব্যাকরণ অংশ ও অধ্যায়ভিত্তিক বিগত এসএসসি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও সমাধান। বইটি প্রথম প্রকাশ পায় ১৫ ই জুন। এর পর পাঠক চাহিদা থাকায় ১ লা জুলাই আবার পুনঃ মুদ্রণ হয় বইটি । ২০২০ সালে আসবে নতুন সংস্করণ।

বইটি সম্পর্কে রাজু রাজ জানান, ‘বাংলা সাইক্লোন’ বইটিকে এমন ভাবে সাজানো হয়েছে একজন স্টুডেন্ট ক্লাস ৯ম-১০ম এ বইটি সংগ্রহ করলে এসএসসি, এইচএসসি এবং ভার্সিটি  ভর্তি বা জবের জন্য একই বই পড়তে পারবে। বইটি ক্লাসের লাস্ট স্টুডেন্টকে টার্গেট করে লেখা। এমন ভাবে লেখা যাতে ব্যাকরণ অংশ শেখার জন্য শিক্ষকের প্রয়োজন না হয়।

এতো অল্প বয়সে বই বের করার রহস্য জানাতে গিয়ে রাজু বলেন, আমার হ্যান্ডনোট গুলি ২০১৫ সাল থেকে বিসিএস গ্রুপ গুলিতে খুব পপুলার, বার বার ভাইরাল হয়েছে বিভিন্ন গ্রুপে। ৫-৬ মাস আগে 'অনলাইন জব পাবলিকেশন্স' এর পক্ষ থেকে বইটি বের করার জন্য আমার সাথে যোগাযোগ করেন। বইটি বের করার সর্ম্পূণ খরচ তারা বহন করেন। ফলে বইটি বের করতে আমায় তেমন কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি ।

যে সাত কারনে বাংলা সাইক্লোন বইটি সংগ্রহে রাখতে পারেন বলে মনে করেন বইটির লেখক।
১. বইটির অধ্যায় বিন্যাস সর্ম্পূণ ৯ম-১০ম শ্রেণীর বোর্ড ব্যাকরণ বইয়ের আলোকে। অর্থাৎ ৯ম-১০ম শ্রেণীর বোর্ড বইটি যেভাবে অধ্যায় ও পরিচ্ছেদ সাজিয়েছেন ঠিক ঐভাবেই সাজানো, আরও গুছানো আরও তথ্য সমৃদ্ধ।

২. ৯ম-১০ম শ্রেণী বইয়ের প্রতিটি টপিকস মনে রাখার অভিনব কৌশল দেয়া হয়েছে প্রথমে। তারপর আরও তথ্য সংযোজন করে ভার্সিটি বা জবের পরীক্ষার জন্য মনে রাখার কৌশল দেয়া হয়েছে।

৩. ৯ম-১০ম শ্রেণীর বোর্ড বইটিতে যে সব টপিকস দেয়া নেই কিন্তু ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা/ জবের পরীক্ষার জন্য প্রয়োজন সেই টপিকস গুলো সংযোজন করা হয়েছে।

৪. বাজারে অনেক বড় পরিসরের বই আছে। কিন্তু যখন কোনো বড় পরিসরের বই প্রথমে পড়তে বসেন তখন মনে ভয় চলে আসে। তাই আমি ছোট পরিসরে বইটি বের করেছি। অর্থাৎ "যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই আয়োজন "। তাই বলব আগে ছোট পরসিরে বইটি সর্ম্পূণ শেষ করুন তারপর প্রয়োজনে বড় পরিসরের বই পড়ুন তাহলে আশা করি ব্যাকরণরে ভয়টা থাকবে না।

৫. বইটরি সর্বশেষে পাবেন গুরুত্বর্পূণ কবি-সাহিত্যিকের জন্ম-মৃত্যু মনে রাখার কৌশল। উক্ত কৌশলে একবার পড়ুন কবি-সাহিত্যিকের জন্ম-মৃত্যু সাল দীর্ঘদিন মনে রাখুন।

৬. এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বইটির শেষে গুরুত্বর্পূণ রচনামূলক প্রশ্ন সংযোজিত হয়েছে।

৭. ৯ম-১০ম শ্রেণীর বোর্ড ব্যাকরণ বইয়ে 'সন্ধির পরিচ্ছেদে অনেক সন্ধি বিচ্ছেদ সমাধান করে দেয়া নেই, একইভাবে 'সমাস পরিচ্ছেদের অনেক সমাসের ব্যাস বাক্য করে দেয়া নেই যা উক্ত বইয়ে পাবেন।

অর্থাৎ ৯ম-১০ম বোর্ড ব্যাকরণ বইকে সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করে দেয়া হয়েছে বইটিতে


ঢাকা, ০৫ সেপ্টেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম.কম)//এমজেড

 

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।