শেষ কর্মদিবসে যা বললেন ববি ভিসি


Published: 2019-05-28 15:16:23 BdST, Updated: 2019-08-20 07:40:33 BdST

ববি লাইভ: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) বিদায়ী ভিসির শেষ কর্মদিবসে সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকার কলাবাগানের লিয়াজোঁ অফিসে এ সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট ১৬ সদস্যের অর্ধেক অর্থাৎ আটজন উপস্থিত ছিলেন।

ছাত্র আন্দোলনের মুখে শেষ কর্মদিবসের আগের দিন পর্যন্ত ছুটিতে ছিলেন ভিসি প্রফেসর ড. ইমামুল হক। শেষ কর্মদিবস ছিল ২৭ মে। সকাল নয়টায় যোগ দিয়ে বিকেল তিনটায় অতি গোপনে সিন্ডিকেট সভা শুরু হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সিন্ডিকেট সভায় ২১ জন শিক্ষক নিয়োগ ও চাকরিরত ৩০ জনের চাকরি স্থায়ীকরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ৩২ জন কর্মচারী নিয়োগ অনুমোদন হয়েছে। একজন উপপরিচালকসহ কয়েকজন কর্মকর্তা সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয়ে মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত আমেরিকান ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির কথিত ঢাকা ক্যাম্পাস থেকে কেনা সনদধারীদের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের রাজাকারের বাচ্চা বলে গালি দেয়ায় আন্দোলনের মুখে গত ১১ এপ্রিল থেকে ২৬ মে পর্যন্ত ছুটিতে যান বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এস এম ইমামুল হক। তাঁর অনুপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ কে এম মাহবুব হাসানকে ভিসির দায়িত্ব দেওয়া হয়।


জানা গেছে, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত ফাইল ঢাকায় নেওয়ার জন্যই ভিসি ছুটিতে থেকেও পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার উপপরিচালক হুমায়ুন কবীরকে পরিচালকের পাশাপাশি রেজিস্ট্রারের চলতি দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তিনিও দুটি পদে যোগদানের জন্য পত্র দিয়েছিলেন। কিন্তু ভিসির দায়িত্বে থাকা ট্রেজারার ড. এ কে এম মাহবুব হাসান তাঁর যোগদানপত্র অনুমোদন করেননি।

ট্রেজারার প্রফেসর ড. একেএম মাহবুব হাসান জানান, ‘ভিসি সোমবার ঢাকার লিয়াজোঁ অফিসে যোগদান করেছেন। শুনেছি, তিনি ঢাকায় সিন্ডিকেটের সভা করছেন। বিধান অনুযায়ী ভিসির নির্দেশক্রমে রেজিস্ট্রার সভা আহ্বান করেন। সে অনুযায়ী এজেন্ডা উল্লেখ করে সদস্যদের কাছে অন্তত ১৫ দিন আগে চিঠি পাঠানো হয়।

আইনের ব্যাখ্যা দিয়ে ট্রেজারার বলেন, ‘জরুরি সভা হলে তা-ও আমার আহ্বান করার কথা। কারণ ২৪ ঘণ্টা আগে আমিই ভিসির দায়িত্বে ছিলাম।’ শিক্ষক-কর্মকর্তাদের পদোন্নতি কিংবা শাস্তির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিধি অনুযায়ী যাদের পদোন্নতি কিংবা শাস্তি দেওয়া হবে তাদের ফাইল সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করতে হয়। ফাইল ছাড়া পদোন্নতি কিংবা শাস্তি দেওয়ার বিধান নেই। বিধি ভেঙে যেহেতু সভা আহ্বান করা হয়েছে, সভায় শাস্তি কিংবা পদোন্নতির ঘটনা ঘটতেও পারে।’

বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য রামচন্দ দাশ জানান, ‘সিন্ডিকেটের সভা আহ্বানের বিষয়টি রেজিস্ট্রার চিঠির মাধ্যমে অবহিত করেন। সোমবার (গতকাল) সিন্ডিকেটের সভা আহ্বান করা হয়েছে মর্মে কোনো চিঠি পাইনি। জরুরি সভা হলে মোবাইল ফোনে নিশ্চিত করার কথা। কিন্তু সে তথ্যও পাইনি।’


ঢাকা, ২৮ মে (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।